পোস্টগুলি

ভবন নির্মানে জরুরী করনিয়

ছবি
ভবন ভেঙ্গে পড়ে শত শত মানুষের মর্মান্তিক মৃত্যু আর চিরজীবনের জন্য পঙ্গুত্ববরন আমাদের কাছে এখন আর নতুন কোন খবর নয়। আমাদের খুব কাছের কেউ যদি এমন দূর্ঘটনার শিকার হয়, তবে আমরা উপলব্ধি করতে পারবো সেই মর্মান্তিক ঘটনাগুলো মানুষকে কত নিষ্ঠুরভাবে নিষ্পেষিত করতে থাকে জীবনভর। এই তো কিছুদিন আগেই যে ঘটনা ঘটেছিল সাভারে । যারা মৃত্য বরন করেছেন তাদের পরিবারের কষ্টের কথা আমরা ক’জনই বা জানি !  সারা জীবনের জন্য যারা পঙ্গুত্ববরন করেছে, তাদের কষ্টের ভাগ কেউ কখনো নিবে না। এ ধরনের দূর্ঘটনা থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে এবং সচেতনভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে যেন পরবর্তীতে আর এমন হৃদয়বিদারক ঘটনার মুখোমুখি হতে না হয়। যে কোন ভবন নির্মানের ক্ষেত্রে সবারই নূন্যতম কিছু করনীয় আছে যা সঠিকভাবে পরিপালন করলে এ ধরনের দূর্ঘটনা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। আমাদের সাধারন মানুষের জন্য সচেতন হবার বিকল্প কোন পথ নাই। সবার মাঝে যেন এ বিষয়ে সচেতনতা তৈরী করতে হলে আসলে নিজেদের জেনে নেয়া প্রয়োজন। বাড়ি করার জন্য আমাদের করনীয় কি । মাটি পরীক্ষা/সয়েল টেস্টঃ  ভবন ধসে পড়ার যতগুলো মৌলিক কারন আছে তার মধ্যে সঠ...

কোন ভবনে কেন ক্রাক বা ফাটল দেখা দেয়?

“আমার ভবনের কয়েকটি জায়গায় ক্র্যাক দেখা দিয়েছে। কি করি বলুন তো? আচ্ছা ক্র্যাক কেন হয়?” এরকম প্রশ্ন স্থপতি ও প্রকৌশলীদেরকে প্রায়ই শুনতে হয়। এই প্রশ্ন করাটা যেমন সহজ কিন্তু এর উত্তর দেওয়াটা তেমনি কঠিন। ইংরেজিতে ক্র্যাক (Crack) শব্দের বাংলায় অর্থ করলে দাঁড়ায় ‘ফাটল বা চিড়’। আর এই ক্র্যাক যদি কোন ভবনে দেখা দেয় তাহলে মাথা ফাটাফাটি থেকে শুরু করে সম্পর্কের চিড়ও ধরতে দেখা যায়। বাড়ির মালিক এবং প্রকৌশলীদের তখন ঘুম হারাম হবার যোগার। আসলে যেকোন ভবনেই বিভিন্ন ধরনের ফাটল দেখা দিতে পারে। তবে সব ফাটল দেখেই দুশ্চিন্তায় পড়বার কোন কারণ নেই। ফাটল টা দেখে সিদ্ধান্ত নেয়া প্রয়োজন এটা আসলে কোন ধরণের ফাটল। ফাটল সাধারণত দুই ধরণের হতে পারেঃ ১) কাঠামোগত ফাটল, ২) অকাঠামোগত ফাটল। ১) কাঠামোগত ফাটলঃ যদি কোন ভবনের বীম, কলাম, ছাদ কিংবা কঙ্ক্রীট দেওয়ালের মধ্যে ফাটল দেখা দেয় তাকে প্রকৌশলীরা কাঠামোগত ফাটল (Structural Cracks) বলে থাকেন। এই ধরণের ফাটল যেকোন ভবনের জন্য ঝুকির কারন। প্রকৌশলীরা সাধারণত কাঠামগত ফাটলের জন্য ক) নকশাজনিত ত্রুটি ও খ) নির্মানজনিত ত্রুটি এই দুই ধরণের কারনগুলো কে দায়ী করে থাকেন। নিচে এই ত্রুটিদ্বয়...

রডের এস্টিমেট ( কাছাকাছি )

প্রতি ঘণমিটারে সাধারণত কত কেজি রড বা লোহা লাগে তার একটি তালিকা দেওয়া হলো। আশা করি এটা আপনাদের এস্টিমেটের কাজে লাগবে। ডিজাইনের আগে মোটোমোটি (+-50%) এস্টিমেটের জন্য তালিকাটি ...

জেনে নিন মিনিমাম পুরুত্ব (ডিফ্লেকশন হিসাব না করা হলে)

ওয়ান ওয়ে স্ল্যাব ১. সিম্পলী সাপোর্ট =  স্প্যান / ২০ ২. একদিকে কন্টিনিউয়াস =  স্প্যান / ২৪ ৩. দুই দিকেই কন্টিনিউয়াস =  স্প্যান / ২৮ ৩. ক্যান্টিলিভার =  স্প্যান / ১০ বীম ১. সিম্পলী সাপো...

সম্পুর্ন বালি দিয়ে তৈরি একটি অসাধারন শিল্পকর্ম।

ছবি

জেনে নিন....

ছবি

প্লাম্বিং এবং স্যানেটরি সাধারণ জ্ঞান

ছবি
বাথরূম ফিকচার ফিকচার হিসাবে এমন কিছু ব্যাবহার করতে হবে যা সহজে পরিস্কার করা যায় এবং ব্যাবহার উপযোগী রাখা যায়। এর দাম সাইজ, রঙ, আকৃতি, কী দ্য তৈরি ইত্যাদির উপর নির্ভর করে। সাধারনত সাদা এর চেয়ে রঙিন এর দাম বেশি হয়ে থাকে। আবার বড় হলে তার দাম বেশি হয়। আবার বড় ফিকচার দাম বেশি হওয়ার সাথে সাথে জয়গও বেশি দখল বেশি করে এবং পানির অপচয় বেশি হয়। যার কারণে ফিকচার পছন্দ করার সময় এইগুলি বিবেচনার মধ্যে রাখতে হবে।নিচে কিছু সাধারণ মাপ-যোগ নিয়ে আলোচনা করা হল।গোসল পাত্র বাথ টাব বা গোসল করার পাত্র তিন ধরনের হয়ে থাকে। বিল্ট-ইন,ফায়ার উপর রকহ এবং বেইজ বা পাতটন এর উপর। সকল ক্ষেত্রেই এর আকার ৪ থেকে ৬ ফুট লম্বাটে এবং ২৬ থেকে ৩৬ ইঞ্চি পাশে হয়ে থাকে। সাধারনত উচ্চতা 16 থেকে 22 ইঞ্চি হয়ে থাকে। তবে ৪ ফুটের বর্গকার বাথটাবো পাওয়া যায়।বিল্ট-ইন টাব বাথরূম এর কোনাতে ব্যাবহার করা হয়। এটি কম যায়গা দখল করে। এর রক্ষণ বেক্ষণ সহজ। তবে যেখানে আদ্রতা কম সেইখানকার  দেওয়াল এর সাথে এটি করা হয়।  পায়ার উপর বসানো টব এর খরচ তুলনামূলক কম। কিন্তু দেখতে খুব ভাল লাগে না এবং পায়া থাকার কারণে এতে উঠা-নাম কঠিন/বিরক...