পোস্টগুলি

জানুয়ারি, ২০১৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

প্লাম্বিং এবং স্যানেটরি সাধারণ জ্ঞান

ছবি
বাথরূম ফিকচার ফিকচার হিসাবে এমন কিছু ব্যাবহার করতে হবে যা সহজে পরিস্কার করা যায় এবং ব্যাবহার উপযোগী রাখা যায়। এর দাম সাইজ, রঙ, আকৃতি, কী দ্য তৈরি ইত্যাদির উপর নির্ভর করে। সাধারনত সাদা এর চেয়ে রঙিন এর দাম বেশি হয়ে থাকে। আবার বড় হলে তার দাম বেশি হয়। আবার বড় ফিকচার দাম বেশি হওয়ার সাথে সাথে জয়গও বেশি দখল বেশি করে এবং পানির অপচয় বেশি হয়। যার কারণে ফিকচার পছন্দ করার সময় এইগুলি বিবেচনার মধ্যে রাখতে হবে।নিচে কিছু সাধারণ মাপ-যোগ নিয়ে আলোচনা করা হল।গোসল পাত্র বাথ টাব বা গোসল করার পাত্র তিন ধরনের হয়ে থাকে। বিল্ট-ইন,ফায়ার উপর রকহ এবং বেইজ বা পাতটন এর উপর। সকল ক্ষেত্রেই এর আকার ৪ থেকে ৬ ফুট লম্বাটে এবং ২৬ থেকে ৩৬ ইঞ্চি পাশে হয়ে থাকে। সাধারনত উচ্চতা 16 থেকে 22 ইঞ্চি হয়ে থাকে। তবে ৪ ফুটের বর্গকার বাথটাবো পাওয়া যায়।বিল্ট-ইন টাব বাথরূম এর কোনাতে ব্যাবহার করা হয়। এটি কম যায়গা দখল করে। এর রক্ষণ বেক্ষণ সহজ। তবে যেখানে আদ্রতা কম সেইখানকার  দেওয়াল এর সাথে এটি করা হয়।  পায়ার উপর বসানো টব এর খরচ তুলনামূলক কম। কিন্তু দেখতে খুব ভাল লাগে না এবং পায়া থাকার কারণে এতে উঠা-নাম কঠিন/বিরক...

গান্টার শিকল জরীপ

ছবি
ভূমির পরিমাপ পদ্ধতি সঠিক এবং সহজ করার জন্য ফরাসি বিজ্ঞানী এডমন্ড গান্টা এই পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। তিনি ভূমি পরিমাপের জন্য ইস্পাত দ্বারা এক ধরণের শিকল আবিষ্কার করেন। পর...

বৃষ্টির সময় আমাদের বাড়ির জন্য করনিয়......

ছবি
বৃষ্টি আমাদের প্রায় সবারই প্রিয়। কিন্তু এই বৃষ্টি আবার বাড়ির জন্য মাথা ব্যথার কারণ হতে পারে। বাড়ি যদি সঠিকভাবে এই বৃষ্টি প্রতিরোধক বা সহ্য ক্ষমতা সম্পন্ন না হয়, তাহলে ...

বাড়ি তৈরির বিভিন্ন অংশের মাপ বা আয়তন

ছবি
প্লিন্থ উচ্চতা 150 মিমি বা 6 ইঞ্চির কম হবে না। লিভিং রুম বা ড্রয়িং রুম উচ্চতা 2.75 মিটার এর কম হবে না। আয়তন 9.5 বর্গমিটার এর কম হবে না। কোনপাশের দৈর্ঘ্য 2.4 মিটার এর কম হবে না। রান্নাঘর উচ্চতা 2.75 মিটার এর কম হবে না। আয়তন 5 বর্গমিটার এর কম হবে না। কোনপাশের দৈর্ঘ্য 1.8 মিটার এর কম হবে না। টয়লেট মাঝের খালি উচ্চতা 2 মিটার এর কম হবে না। সাইজ 1.8 বর্গমিটার এর কম হবে না। স্টোর রুম উচ্চতা 2.2 মিটার এর কম হবে না। আয়তন 3 বর্গমিটার এর কম হবে না। গ্যারেজ উচ্চতা কমপক্ষে 2.4 মিটার হতে হবে। আয়তন কমপক্ষে 2.5 মিটার X 5 মিটার হতে হবে। সিড়ি বাসার জন্য চওড়া 1 মিটার, হলরুমের জন্য 1.5 মিটার, প্রতিষ্ঠানের জন্য 2 মিটার। পাদানি বা ধাপের চওড়া কমপক্ষে 250 মিমিএকটা ধাপের উচ্চতা 150 মিমি। যেকোন জায়গাতে খাড়া খালি উচ্চতা (হেডরুম) 2.2 মিটার। আলো-বাতাসের ব্যবস্থা আলো-বাতাসের প্রবেশের জন্য কমপক্ষে নিচের মত খোলা দেয়াল থাকতে হবে 1. গরম আবহাওয়াতে মেঝের দশ ভাগের এক ভাগ পরিমাণ 2. ভেজা গরম আবহাওয়াতে মেঝের ছয় ভাগের এক ভাগ 3. সাধারণ আবহাওয়াতে মেঝের আট ভাগের এক ভাগ।

বর্গগজ/বর্গফুট অনুযায়ী শতাংশ ও একরের পরিমাণ

ছবি
৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর ধরে ৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর ৪৩৫৬০ বর্গফুট= ১ একর ১৬১৩ বর্গগজ= ১ বিঘা ১৪৫২০বর্গফুট= ১ বিঘা ৪৩৫.৬০ বর্গফুট= ০১ শতাংশ ৮০.১৬ বর্গগজ= ১ কাঠা ৭২১.৪৬ বর্গফুট= ১ কাঠা ৫.০১ বর্গগজ = ১ ছটাক ৪৫.০৯ বর্গফুট= ১ কাঠা ২০ বর্গহাত = ১ ছটাক ১৮ ইঞ্চি ফুট= ১ হাত (প্রামাণ সাই) কাঠা, বিঘা ও একরের মাপ ১৬ ছটাক = ১/ কাঠা ০.০১৬৫ অযুতাংশ = ১/কাঠা ০.৩৩ শতাংশ বা ০.৩৩০০ অযুতাংশ = ১ বিঘা ২০ (বিশ) কাঠা = ১ বিঘা ৩ বিঘা = ১.০০ একর। টিকাঃ একশত শতাংশ বা এক হাজার সহস্রাংশ বা দশ হাজার অযুতাংশ= ১.০০ (এক) একর। দশমিক বিন্দুর (.) পরে চার অঙ্ক হলে অযুতাংশ পড়তে হবে।

ভূমিকম্প প্রতিরোধক বিল্ডিং ডিজাইন ও ভূমিকম্পের সময় করণীয়

ছবি
প্রকৌশলি রুহুল আমিন ও হাসান কামরুলসাভারে ভবন ধসের পর ভূমিকম্পকে এখন সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। কারন বহুতল ভবন ধ্বসের পরপরই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, ফায়ারবিগ্রেড থেকে শুরু করে সাধারন মানুষ অক্লান্ত পরিশ্রম করেও উদ্ধার অভিযানে যতোটা সফল হওয়ার কথা ততটা হতে পারেনি। কারন এ ধরনের দুর্যোগ মোকাবেলায় পর্যাপ্ত সরঞ্জাম ও দক্ষ মানব সম্পদের অভাব রয়েছে। সাভারের সৃষ্ট দুর্যোগ মনুষ্য সৃষ্ট দুর্যোগ। আর এ ধরনের দুর্যোগের ক্ষয় ক্ষতির সীমা পরিধির মধ্যেই সীমাদ্ধ থাকে অর্থাৎ এ ধরনের দুর্যোগের আকার ধরন ও ক্ষয়-ক্ষতির মাত্রা তুলনামুলকভাবে কম হয় প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিবেচনায়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসলে প্রৃকৃতিকে অপ্রকৃতিস্হ করে তোলে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের ধ্বংসযঙেঞর পরিধি ব্যাপাক ও বিস্তৃত। আর প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব বছরের পর বছর চলতে থাকে অর্থাৎ প্রাকৃতিক দুর্যোগের দীর্ঘ মেয়াদী প্রভাব বিদ্যমান। উদারহরনস্বরুপ, সিডরের কথা মনে হলে এখনো দুর্বিষহ সেসব হতভাগ্য মানুষের অসহায় ছবি আমাদেরকে বিচলিত করে। সিডরের প্রভাব এখনো বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবেই পরিলক্ষিত হচ্ছে। বাংলাদেশের রয়েছে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার...

বাড়ি তৈরির কিছু সাধারন কৌশল.......(২য় পর্ব)

ছবি
ক/ ভেন্টিলেটিং শ্যাফ্ট: আগে সব দালানেই ঘুলঘুলি থাকতো; প্রয়োজন বাড়লেও এখন বাড়িওয়ালারা তা দেন না। সাধারনত গরম বাতাসটা ঘরের সিলিঙের কাছ দিয়ে মুভ করে। এ জন্য প্রত্যেক ঘরের দরজার উপরে বা অন্য কোন সুবিধাজনক জায়গায় বন্ধ করা যায়, এমন ভেন্টিলেটিং শ্যাফ্ট লাগবে। তাতে গরম বাতাসটা দ্রুত উপর দিয়ে পাস করে চলে যাবে এবং ঘরের নিচের যে লেভেলে আমরা থাকি, সেটুকু ঠান্ডা থাকবে। এ গুলো অফিস স্পেসের ফল্স সিলিঙে থাকা এসি শ্যাফ্টের মত কাজ করবে।*  খ/ সিড়ির ভেন্টিলেশন : সিড়ির ভেন্টিলেশনটা খুবই চমকপ্রদ। আমার বর্তমান আবাসে এর কার্যকারিতা দেখে আর ইন্টার্নেট ঘেটে এর সপক্ষে তথ্যাদিও পেয়েছি। প্রথমে যখন রোদ থেকে বাতাসটা গ্রাউন্ড ফ্লোরের ছায়ায় ঢোকে তখনই এক প্রস্থ ঠান্ডা হয়। নিচ তলার যে দিক দিয়ে ঠান্ডা বাতাস ঢোকে সেদিকে খোলা রাখলে ভালো। ফ্লোরগুলোর সিড়িতে ছাদ না থাকায় আর তলাগুলোর একেকটা প্যাচের জন্য গরম বাতাসটা মতো ঘুরতে ঘুরতে ঠান্ডা হয়ে দ্রুত চিলেকোঠায় উঠে যায়। আর নিচের দিকে থাকে অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা বাতাস। মানে সিড়িটা একটা কুলিং সিস্টেমের কাজ করে।তাই ফ্ল্যাটের মেইন দরজার উপরে ভেন্টিলেশন জানালা রাখু...

বাড়ি তৈরির কিছু সাধারন কৌশল.........

ছবি
নির্মান ব্যায় কমাতে চাইলে, ছাদের উচ্চতা কমিয়ে ৯’ এমনকি ৮’ ও করা যেতে পারে। উচ্চতা কমালেও বাসার কম্ফোর্ট বাড়বে। যে ভাবে ওয়েল ডেকোরেটেড অফিসগুলোর ফল্স সিলিঙ ৮’ হাইটের হয়।  ১) প্ল্যান & ডিজাইন : বিল্ডিঙের প্ল্যান আর প্লেসিং সঠিক ভাবে করতে পারলে, ফ্ল্যাট গুলো কম্ফোর্টেবল করা সহজ হয়।  ক/ বিল্ডিঙের প্লেসিং : সাধারন বিল্ডিং গুলো ২ ইউনিটে ভাগ করা হয়। চেষ্টা করতে হবে দক্ষিন-পশ্চিম দিকটা যেনো ২টি ইউনিটে সমান ভাবে ভাগ হয়ে যায়। কারন এই দিকটাই গরম কালে সবচেয়ে উত্তপ্ত হয়। এতে করে কোন ১ দিকের ইউনিট গুলো একক ভাবে গরমে এ্যাফেক্টেড হবে না।    খ/ ঘরগুলোর অবস্থান : অনেকে ঘরে আলো-বাতাস বেশি ঢোকার জন্য দক্ষিন দিকে বেডরুম, লিভিংরুম গুলো করেন। কিন্তু জলবায়ুগত পরিবর্তন আর বিদ্যুত বিভ্রাটের জন্য এখন এই ধারনা গ্রহনযোগ্য নয়। রোদ সবচেয়ে বেশি পরে বাসার দক্ষিন-পশ্চিম দিকে। গরম হওয়া সেই দেয়াল রাত পর্যন্ত ঘর গরম রাখে। তাই দক্ষিন-পশ্চিম দিকে কিচেন, টয়লেট আর ড্রয়িংরুম করতে হবে। পক্ষান্তরে গ্রিষ্মকালে বাসার উত্তর-পুর্ব দিকে শুধু দুপুর পর্যন্ত মৃদু রোদ লাগে। বেডরুম বা লিভিং...

বাড়ি তৈরির আগে করনীয়.....

ছবি
বাসস্থান আমাদের তৃতীয় মৌলিক চাহিদা। যার বাপ-দাদার বা নিজের এক খন্ড জমি আছে সবাই চায় সেখানে নিজের মতো করে সুন্দর একটি বাড়ি বানাতে। আমাদের বাঙালী টিপিক্যাল নেচারের জন্য ...